পত্রিকা: 'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: তিন টাকায় ১ টাকা অনিয়ম'

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যয় হওয়া প্রতি তিন টাকার মধ্যে প্রায় এক টাকার হিসাব নিয়ে আপত্তি তুলেছেন নিরীক্ষকরা। নৈতিক স্খলনের কারণে সংসদ সদস্য পদ হারাতে পারেন জামায়াতের এমপি। এছাড়া রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে খবর রয়েছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে।
'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: তিন টাকায় ১ টাকা অনিয়ম' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল উন্নয়ন প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অনিয়ম যেন থামছেই না। বালিশ-কাণ্ডের পর এবার বিশেষ নিরীক্ষায় উঠে এসেছে আরও বিস্ময়কর তথ্য।
৯ অর্থবছরে প্রকল্পটিতে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিপরীতে ২৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম চিহ্নিত করেছে বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প অডিট অধিদপ্তর (ফাপাড)। অর্থাৎ, ব্যয় হওয়া প্রতি তিন টাকার মধ্যে প্রায় এক টাকার হিসাব নিয়ে আপত্তি তুলেছেন নিরীক্ষকরা।
একই সময়ে প্রকল্পে ২৩০টি অডিট আপত্তি উঠেছে। এর মধ্যে ১২০টিই রাশিয়ার নাগরিকদের জন্য নির্মিত গ্রিন সিটি আবাসন প্রকল্প ঘিরে।
শুধু অর্থ ব্যয়ের হিসাবেই নয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।
সংস্থাটির পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর হালনাগাদ কোনো কর্মপরিকল্পনা প্রকল্প কার্যালয়ে নেই। অসমাপ্ত কাজের পূর্ণাঙ্গ তালিকাও সংরক্ষণ করা হয়নি।

টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম ''JAMAAT MP RISKS LOSING SEAT OVER 'MORAL TURPITUDE'' অর্থাৎ ''নৈতিক স্খলন'-এর কারণে আসন হারানোর ঝুঁকিতে জামায়াত এমপি''
খবরে বলা হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।
তবে তার এমন দাবি বাংলাদেশের আইনি শর্ত পূরণ করে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে তিনি আর সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিয়েসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন, মিথ্যা বিবৃতি প্রদান এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা গুরুতর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। কোনো অসদাচরণ প্রমাণিত হলে তাকে সংসদ সদস্যপদও হারাতে হতে পারে।
ফাঁস হওয়া একটি ভিডিওর ব্যাখ্যায় নিজের 'দ্বিতীয় বিয়ে' বলে দাবি করার পর ওই আইনপ্রণেতা আইনি জটিলতায় পড়েছেন। ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার পর তিনি ফেসবুকে মুখ খোলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Flightpaths strewn with tall buildings' অর্থাৎ 'উঁচু ভবনে ঠাসা বিমান চলাচলের পথ'।
খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকার বিমানবন্দরের আশপাশের আকাশসীমা উচ্চতা-সীমা অতিক্রমকারী ভবনমুক্ত রাখার জন্য বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বছরের পর বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
এক বছর আগে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মর্মান্তিক ঘটনায় ৩৬ জনের প্রাণহানি হয়। যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু। এর অনেক আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বারবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) চিঠি দিয়েছিল বেবিচক।
বেবিচকের সদস্য (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) এয়ার কমোডর মো. নূর-এ-আলম জানিয়েছেন, গত এক দশকে বিমানবন্দরের উচ্চতা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের দায়ে ৬৪০টিরও বেশি ভবনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে প্রস্তুতকৃত নথিপত্র থেকে দেখা যায়, তেজগাঁও বিমানবন্দর ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে অন্তত ৩২৫টি স্থাপনা অনুমোদিত উচ্চতার সীমা অতিক্রম করেছে।
এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে ১৭৮টি আবাসিক ভবন, ১২১টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ১১টি সরকারি স্থাপনা, পাঁচটি হাসপাতাল, পাঁচটি হোটেল এবং পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

'ঋণ পুনঃতপশিলে ঘুরেফিরে চিহ্নিত কয়েকটি কোম্পানি' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, টাকা ফেরত না দিয়েও দীর্ঘ সময় ধরে ঋণ নিয়মিত দেখানোর সুযোগ পেয়ে আসছেন শীর্ষ খেলাপিরা। বিশেষ সুবিধা পাওয়া ব্যবসায়ীরাই ঘুরেফিরে পুনঃতপশিলের জন্য হাজির হচ্ছেন।
একের পর এক সুবিধা নেওয়ার কিছুদিন পর তারা আবার খেলাপি হচ্ছেন। প্রকৃত আদায় ছাড়া ঋণের উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়মিত দেখিয়ে আসা ব্যাংক খাত এভাবে পুনঃতপশিলের ফাঁদে পড়েছে।
এতে খেলাপি ঋণ না কমে উল্টো বাড়ছে। এর ফলে বাংলাদেশ এখন খেলাপি ঋণের হারে বিশ্বের শীর্ষস্থান পেয়েছে।
কখনও বৈশ্বিক খারাপ অবস্থা, কখনও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই খেলাপিদের জন্য উপায় বের করে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংক খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতে, খেলাপি ঋণের সমস্যার সমাধানে নীতি শিথিলতার সিদ্ধান্ত কাজ দিচ্ছে না। এ ধরনের নীতির বারবার অপব্যবহার হয়েছে।
অধিকাংশ কর্মকর্তা মনে করেন, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোরতার কোনো বিকল্প নেই। খেলাপি অনেকেই ব্যাংকের টাকায় বিলাসী জীবন, বিদেশে পাচারসহ নানা অনিয়ম করছেন। এর বিপরীতে দেশে এমন অনেক বড় ব্যবসায়ী আছেন, যারা খেলাপি হননি।

'বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন জ্বালানি সংকট' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর ধরেই দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমছে। চার বছর আগে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রধান এ খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১৪ শতাংশের ঘরে।
ধারাবাহিকভাবে কমে সে প্রবৃদ্ধি এখন ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়াতে প্রণোদনা, নীতি সহায়তাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যদিও ব্যাংকার ও উদ্যোক্তারা বলছেন, ঋণের সুদহার কমানো কিংবা নীতি ছাড়ের কোনোটিই পুরোপুরি কাজে আসবে না, যদি শিল্পোদ্যোগে চাহিদা অনুসারে গ্যাসসহ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়।
চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি গ্যাসের ঘাটতির কারণে শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ (প্রেশার) পাওয়া যাচ্ছে না। এতে অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাতে পারছে না, কোথাও কোথাও উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। আর নতুন কারখানায় গ্যাসের সংযোগ একেবারেই বন্ধ।

'নির্বাচনে অযোগ্য হচ্ছেন এমপিও শিক্ষকেরা' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিক, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী, ঋণ ও বিলখেলাপিরা প্রার্থী হতে পারবেন না। আইন সংশোধনে এমন বিধান যুক্ত করার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে গতকাল মঙ্গলবার কমিশন সভায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনগুলো (সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধনে এগুলোসহ বিভিন্ন সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্রভুক্তদেরও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব করবে ইসি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকেও অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখার সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রতি ১৫ বছর পরে নবায়ন করার সুযোগ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। ১৫ বছরের কম বয়সীদেরও এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি।
তবে এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা পরে নির্ধারণ করা হবে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

'বিশ্বে ৬ মাসে হামের রোগী সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ভুলতে যাওয়া রোগ হাম এ বছর দেশে তৈরি করেছে উদ্বেগ। রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য দেখাচ্ছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে গত মে মাস পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশে ৪২ হাজার ১৭৪ জন হাম কিংবা হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে। এ সময়ে এত রোগী আর কোনো দেশে পাওয়া যায়নি।
বিশ্বজুড়ে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তর জেনেভায় নিয়মিত যে প্রাথমিক উপাত্ত জমা হয়, সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে সেই তথ্য সংগ্রহ করে এই চিত্র দেখা গেছে।
১৪ই জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনও (সিডিসি) বিশ্বে হাম সংক্রমণের পরিস্থিতি জানাতে জুলাই মাসে তৈরি করা ডব্লিউএইচওর নজরদারি প্রতিবেদনটি ব্যবহার করেছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ছয় মাসে হাম সংক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশের নাম শীর্ষে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এ সময়ে দেশটিতে হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ২৬ হাজার ৬০৭ জন।

'জোট শরিকদের ক্ষোভ-দাবি, ভাবছে বিএনপি' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ক্ষমতায় অংশীদার করা এবং নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জাতীয় সরকার গঠনসহ বিএনপির কাছে নানা দাবি জানিয়েছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক জোট ও দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। একইসঙ্গে সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন তার প্রশংসাও করেছেন নেতারা।
সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে তারা বলেছেন, সরকার একলা চলো নীতি দিলে ব্যর্থতার দায়ভার জোট শরিকরা নেবে না।
সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোট শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও নৈশভোজে অংশ নেন।
যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বিএনপি'র সরকার গঠনের পর জোট নেতাদের সঙ্গে এটি প্রথম বৈঠক। জাতীয় নির্বাচনে জোট শরিকদের নির্ধারিত আসনে নির্বাচনের সুযোগ দিয়েছিল বিএনপি।
পরে সরকারেও শরিক দলের তিন নেতাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছেন তারেক রহমান। কিন্তু অন্যান্য দলের নেতারাও সরকারের অংশীদারিত্ব চাইছেন।

''মানবাধিকার কমিশন 'লাইফ সাপোর্টে'' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী, কার্যকর, স্বাধীনভাবে পরিচালনার জন্য সংস্কার ও গতিশীল করার তাগিদ ছিল, তার একটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে 'রাজনৈতিক' সিদ্ধান্তের বলি এই প্রতিষ্ঠান এখনো মুমূর্ষু অবস্থায় 'লাইফ সাপার্টে' রয়েছে। কমিশনের মানবাধিকার সংক্রান্ত কার্যক্রম গত ২১ মাস ধরে বন্ধ।
দেশে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কিছু কাজ ছাড়া বিশেষ কোনো ভূমিকা নেই। এই অনিশ্চয়তা কবে কাটবে, তাও কেউ বলতে পারছেন না।
গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৭ই নভেম্বর মানবাধিকার কমিশনের তখনকার চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের মাধ্যমে কমিশন ভেঙে যায়। তখন কমিশনে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল ৫৪৮টি অভিযোগ।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৮ই নভেম্বর থেকে গত ১৪ই জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর কারওয়ানবাজারের মানবাধিকার কমিশনে প্রতিকারের জন্য অভিযোগ কিংবা আবেদন জমা পড়েছে ৮২৭টি। সব মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৩৭৫ অভিযোগ এ মুহূর্তে জমা থাকলেও কমিশন কিছুই করতে পারছে না।

'থানা ও আদালতের মালখানা: নষ্ট হচ্ছে সোয়া ১৪ লাখ আলামত' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, চরম অব্যবস্থাপনায় দেশের থানা ও আদালতের মালখানায় জব্দ মালপত্রের পাহাড় জমেছে। এ পর্যন্ত ১৪ লাখের বেশি আলামত ও মালপত্র জব্দ রয়েছে থানা ও আদালতের মালখানায়।
এর মধ্যে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জব্দ আছে তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪৯০টি সাধারণ আলামত। কোনো অপরাধের তদন্ত বা বিচারের স্বার্থে জব্দ করা আলামত বা জিনিসপত্র সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র উঠে এসেছে পুলিশ সদর দপ্তরের এক অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে।
এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় এসব আলামত ও মালপত্র নষ্ট হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই অব্যবস্থাপনা দূর দূর করতে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরার পাশাপাশি উচ্চ আদালতকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

'ট্রাইব্যুনালে মোজাফফর' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক সেনাকর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে সেনা আইনে বিচারপ্রক্রিয়া চললেও তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্তের স্বার্থে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আগামী ২৩শে জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করবে প্রসিকিউশন। এরপর তদন্তের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে।
প্রয়োজনে তাকে এবং সাবেক সেনাকর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম।
গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।









